সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

About Me

 

স্বাগতম! আমি মনিরুজ্জামান মুন্না

"একাউন্টিং শিখি" ওয়েবসাইটের পেছনে থাকা মূল মানুষটি আমি। বর্তমানে আমি ম্যানেজমেন্ট (ব্যবস্থাপনা) বিষয়ে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছি। পড়াশোনার পাশাপাশি অ্যাকাউন্টিং এবং ম্যানেজমেন্ট—এই দুটি বিষয়ের প্রতি আমার অন্যরকম এক ভালোবাসা ও ভালোলাগা কাজ করে।

আমি কেন এই ওয়েবসাইটটি শুরু করেছি?

বাণিজ্য বিভাগের (Commerce) শিক্ষার্থী হিসেবে আমি জানি যে, অনেক সময়ই অ্যাকাউন্টিং বা ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন জটিল থিওরি ও অংক বুঝতে শিক্ষার্থীদের বেশ বেগ পেতে হয়। ক্লাসের সীমিত সময়ে অনেক খুঁটিনাটি বিষয় পরিষ্কার জানা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

আমার প্রিয় এই দুটি বিষয়ের জ্ঞানকে শুধু নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, সহজ ও সাবলীল ভাষায় সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই আমি "একাউন্টিং শিখি" প্ল্যাটফর্মটি শুরু করেছি। এখানে আমি অ্যাকাউন্টিং এবং ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল টপিকগুলোকে সহজ প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে যেকোনো শিক্ষার্থী খুব সহজেই তা বুঝতে এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারে।

আমার লক্ষ্য

একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি প্রতিনিয়ত নিজে নতুন নতুন বিষয় শিখছি এবং এই সাইটের মাধ্যমে তা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আমার লক্ষ্য হলো—"একাউন্টিং শিখি"-কে এমন একটি নির্ভরযোগ্য ও সহজ শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মে পরিণত করা, যা বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে আরও আনন্দদায়ক এবং সহজ করে তুলবে।

আমার সাথে যুক্ত থাকুন

পড়াশোনা কিংবা আমার এই সাইটের কন্টেন্ট নিয়ে আপনার যেকোনো প্রশ্ন, মতামত বা পরামর্শ থাকলে আপনি নির্দ্বিধায় আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

  • ইমেইল: [monnajamal2000@gmail.com]

  • ফেসবুক/সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল: [Monirojjaman Monna]

আমার এই পথচলায় সাথে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ব্যক্তিবাচক হিসাব ও অব্যক্তিবাচক হিসাব কী? হিসাবের শ্রেণিবিভাগ সম্পূর্ণ আলোচনা

হিসাববিজ্ঞান পড়াশোনার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হিসাবের সঠিক শ্রেণিবিভাগ বোঝা। কোনো লেনদেন হিসাবের খাতায় তোলার আগে জানতে হয়—এটি কোন ধরনের হিসাব এবং সেই হিসাবে ডেবিট বা ক্রেডিট করার নিয়ম কী। সনাতন পদ্ধতিতে (Traditional Approach) হিসাবকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়—ব্যক্তিবাচক হিসাব এবং অব্যক্তিবাচক হিসাব। এই লেখায় এই দুটি হিসাবের ধারণা, উদাহরণ, ডেবিট-ক্রেডিট নিয়ম এবং ব্যালেন্স বা জের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। হিসাবের শ্রেণিবিভাগ কেন জানা দরকার হিসাবের শ্রেণিবিভাগ না জানলে কোনো লেনদেন সঠিকভাবে জাবেদাভুক্ত করা সম্ভব হয় না। প্রতিটি হিসাবের নিজস্ব ডেবিট ও ক্রেডিটের নিয়ম রয়েছে এবং সেই নিয়ম জানা না থাকলে আর্থিক বিবরণী ভুল হয়ে যায়। এই কারণেই সনাতন পদ্ধতিতে হিসাবের শ্রেণিবিভাগ হিসাববিজ্ঞানের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের ভালোভাবে রপ্ত করতে হয়। সনাতন পদ্ধতিতে হিসাব মূলত দুই ধরনের — ব্যক্তিবাচক হিসাব এবং অব্যক্তিবাচক হিসাব । অব্যক্তিবাচক হিসাবকে আবার দুইভাগে ভাগ করা হয়, যথা: সম্পত্তিবাচক হিসাব এবং নামিক বা আয়-ব্যয়বাচক হিসাব। ব্যক্তিবাচক হিসাব কী ব্যক্তিবাচক হিসাব (Persona...

মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট/মূসক) কী এবং কীভাবে কাজ করে

বাংলাদেশে ব্যবসা করেন বা চাকরির পাশাপাশি আয়কর-ভ্যাট নিয়ে খোঁজখবর রাখেন, এমন প্রায় প্রত্যেকেই একসময় না একসময় "মূসক" বা "ভ্যাট" শব্দটির মুখোমুখি হন। কিন্তু অনেকেই সঠিকভাবে জানেন না, ভ্যাট আসলে কীভাবে কাজ করে, কাদের জন্য এটি বাধ্যতামূলক, আর কোন হারে কত ভ্যাট দিতে হয়। এই লেখায় সহজ ভাষায় মূল্য সংযোজন কর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আসলে কী মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট হলো একধরনের পরোক্ষ কর, যা কোনো পণ্য বা সেবার উৎপাদন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সংযোজিত মূল্যের উপর আরোপ করা হয়। সহজ কথায়, একটি পণ্য যতবার হাতবদল হয় এবং তার মূল্য যতটা বাড়ে, ততটুকু অংশের উপর সরকার একটি নির্দিষ্ট হারে কর নেয়। বাংলাদেশে এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) এই কর আদায়ের দায়িত্বে থাকে এবং "মূসক" শব্দটি ভ্যাটের বাংলা সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে সরকারি কাগজপত্রে ব্যবহৃত হয়। ভ্যাট মূলত ভোক্তার কাছ থেকেই আদায় হয়, তবে এটি সংগ্রহ ও সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার দায়িত্ব থাকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর। অর্থাৎ একজন ব্যবসায়ী পণ্...

বকেয়া ভিত্তি কী? হিসাববিজ্ঞানে Accrual Basis of Accounting সম্পূর্ণ আলোচনা

আগের লেখায় আমরা নগদান ভিত্তি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। তবে আধুনিক হিসাববিজ্ঞানের মূল ভিত্তি আসলে অন্য একটি পদ্ধতির উপর দাঁড়িয়ে আছে—যাকে বলা হয় বকেয়া ভিত্তি বা Accrual Basis of Accounting। প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে মাঝারি ও বড় আকারের কোম্পানিগুলোর আর্থিক বিবরণী তৈরিতে এই পদ্ধতিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এই লেখায় বকেয়া ভিত্তি কী, এর বৈশিষ্ট্য এবং নগদান ভিত্তির সাথে এর পার্থক্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। বকেয়া ভিত্তি কাকে বলে বকেয়া ভিত্তিতে হিসাবরক্ষণ এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে আয় ও ব্যয় নগদ অর্থের আদান-প্রদানের উপর নির্ভর না করে, লেনদেন সংঘটিত হওয়ার সময়ের উপর ভিত্তি করে লিপিবদ্ধ করা হয়। অর্থাৎ কোনো আয় অর্জিত (Earned) হলে, তা নগদে গৃহীত হোক বা না হোক, সাথে সাথেই তা আয় হিসেবে হিসাবভুক্ত করা হয়। একইভাবে কোনো ব্যয় সংঘটিত (Incurred) হলে, তা নগদে পরিশোধিত হোক বা না হোক, লেনদেনটি সাথে সাথেই ব্যয় হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়। সহজভাবে বললে, বকেয়া ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিবরণীর পরিবর্তন ঘটায় এমন যেকোনো লেনদেন, তা সংঘটিত হওয়ার সাথে সাথেই হিসাবের খাতায় তুলে রাখতে ...